আজ সকাল সকাল ঘুম ভেঙেছে বলেই সূর্যের কুমারী আলোয়
নিজের দীর্ঘ এবং দুরারোগ্য ছায়া দেখতে পেলাম
দেখতে পেলাম শান্ত আকাশ, দয়ালু নীল
পড়ে আছে গতকাল
যেন পাখির ভাঙা ডিম
এখন রাস্তা ফাঁকা, এখন রাস্তা একা
বিবস্ত্র পাগলের মতো শুয়ে আছে
জঙ্গলভর্তি মাথায়...
ফুটে আছে একটি-দুটি লজ্জাবতী ফুল

আহা! অপূর্ব! সুষম শব্দের সুপ্রয়োগে এক অনির্ব্বচনীয় কাঠামো তৈরী হয়ে উঠল, যার প্রদীপ্ত উদ্ভাসে আহত, ক্ষতবিক্ষত সমকাল দুদন্ড বসতে পেল নিকোনো দাওয়ায়, শান্তির প্রলিপ্ত পর্জন্যের নীচে ঠাঁই পেল যাপনক্রিয়া। বড় সাধারণ, আর এ ঐশ্বর্যেই ঐশ্বরিক এক খন্ড যেন...আচ্ছা, 'ভর্তী' বানানটি কি ঠিক হল?
ReplyDeleteঅসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা আপনাকে। ভাল থাকবেন। হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন ।'ভর্তি' বানানটি ঠিক করে দেওয়া হবে। টাইপ করতে গিয়ে ভুল হয়ে গেছে।
Delete