পক্ষীকুল ভোরে আর সেভাবে জাগে না, রাতভোরে
আচার্যের প্রদক্ষিণ চলে চন্দ্র-করোটিকে ঘিরে
যোগসিদ্ধহীন আমি রুদ্রাক্ষের ছায়া নিয়ে
দেখেছি আশ্চর্য সেই করোটিতে কত কত
সৌরপ্রকাশ কত অশত্থের ছায়া কত আদানির জিভ
বজ্রের থমথম আর
আই এম স্যাড টুডে আয়াম অন দ্যা ওয়ে'র নৈঃশব্দ্য
রবীন্দ্রগানের সূক্ষ্ম ও প্রসন্ন মীড়গুলি
উপড়িয়ে ছিলাম তথা বেলাফন্টের অনন্ত তথা আদানির নারীদের;
হেতু ভাগীরথী নয়, আমার পছন্দ শাদা ডুলুঙের যথাস্রোত যেখানে
না-সরস্বতীর হংসী কেলি করে
তার যোনিসন্ধি থেকে তুলি মূল
বেজন্মা ভাইরাস আর
স্তনসন্ধি জাগিয়েছি ত্রিদামিনীর চিনগারি এনে ফলে
বেলাফন্টের উন্মাদ আমিই আর
রবীন্দ্রের মায়াবী কুহক আর
আদানির জিহ্বার অতিদীর্ঘতা
ফলত সমস্ত গুপ্ত মেটাফর ধারণ করেছে যত বিষ, গৌড়ীয় শৈলীরা তত
রুদ্রাক্ষের ছায়া নিয়ে প্রদক্ষিণ করে গেছে
দেবের চাতুর্য
দেবীলালের ঔরস, ম্লান
দেবীদের ওষ্ঠজাত সেইসব মনহুস ধ্বনি, যারা
উড়ে ছিল দূর সিন্ধুপারে, যারা
তারাদেশে অগ্নি ও পরাগ রেখেছিল

No comments:
Post a Comment