এই ঈশ্বর এই ছুরি
খেলার মাঠেতে ওরা
দূরে কালো কালো মেঘ
সরে সরে যায়
পশ্চিম দিকেতে সূর্য নেমে আসে
রোদের ভেতর বৃষ্টি বৃষ্টি
প্রতি ফোঁটা সোনার কণার মতোন
চিক চিক করে
পৃথিবী বুঝতে পারেনি ──
এ কী বৃষ্টি?
আলো?
বিদায়?
শুরু?
প্রকাশিত নাকি গোপন?
ছায়াছবি
ধবল আভার এক স্ত্রী চিতল হরিণ স্বভাবগত দৌড়ে পালায়
স্থির হয়ে শুয়ে থাকে তার ছায়া
জলের ভেতর
স্ক্রিপ্ট
ধরুন ──
আপনি আজ রাতে মারা যাবেন
তারপর আপনার কিছু মনে থাকবে না
দুশো লাখ লোক আপনাকে ঘাড়ে করে নিয়ে যাবে কোনো ঘোলা জঙ্গলে নদীতে
তখন পুরো অন্ধকারও নয় কিংবা পুরো আলোও নয়
অসীম জল চারদিকে জল আর জল কোনো তীর নেই
পাখিও নেই
আর সেই জলের বুকের উপর কোনো এক সময়ের স্যাক্সোফোনের সভা ভেসে চলবে
বিথোভেন বব ডিলান রবি শংকর মোৎসার্ট
আরোও আরোও...
ভরপেট ভ্রমর সন্তান
তার বাবা তার বাবা তার বাবা...
বসিয়ে দিয়ে চলে শরীরে মায়া হরিণছানা
পথে চলতে চলতে ফুটে গেছে কার পায়ে কুলের কাটা কিংবা
বেওয়ারিশ লাশের হাড়
নেউলের দাঁত কার কীরকম কী ছিঁড়ে
নিয়ে গেল - তাতে কার কী!
তার বাবা তার বাবা তার বাবা
এসব কেউই পরোয়া করেনি
প্রজননের ভূমিকা ও রচনা নিয়ে বড় চাউমাউ ছেপে গেছে বটতলার ব্যানারে
ঐ মূলত দীর্ঘ সন্তানেরা মদের ঘরে বসে আজও পোষে
আজও...
রসপিপাসুজন
প্রথম মানুষ দ্বিতীয় মানুষ
বেটে লম্বা মানুষ কালা ধলা ওরা
রাত ঠিক আড়াইটে ঘড়িতে
নিয়মিত কথা কয়
মানব মানবী চায়
প্রার্থনাকারী ফড়িং যেভাবে
হাঁটু মুড়ে থাকে শিকারী বেশেই
সম্পর্ক জিকিরে জিকিরে সূরা হয়নি
আবার হয়নি বিচ্ছেদও
কাঠবিড়ালি শালিকের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়বে পৃথিবীর যত মফসসলি সংবাদ
কালো / বিষ / কৃষ্ণ / অশুভ / অজানা—সব যাবতীয় ঘটবে
একটা গভীর কালো নদী
কালিদহ কালিদহ নাম...

No comments:
Post a Comment