১.
হালকা রেসিস্ট হতে ইচ্ছে করে
ছুটি থাকলে
অথবা
শুধু কর্তব্যের খাতিরে শরীর বসে যায় জানলা ধরে
দিন
একটা ফ্রেম,
পাখি নদীমাতৃক
আকাশ বিশৃঙ্খলামাত্র
মুঠো হাত ফ্রেমে ভরে বুঝে নেওয়া সন্তানস্য সম্ভবকাল
ঈশ্বরের উন্মাদনায় সেই বিচ্ছিরি বাড়ি রঙ
তোমার নীরব থাকা, চুপিচুপি দেখে যাওয়া সব
অশনাক্তের মত এড়িয়ে যাওয়া হত্যাগন্ধের আঁচড়
নজর এড়িয়ে দিনকে দিন মোষসমান মোটা চামড়ার পেজভরাট
কলম ধরা খসখস
জন্মের আগে আনন্দ আনন্দ মন নিকেতন
২.
সংকীর্তন
ভাঙা বারান্দাগুলো নাম ধরে ডাকছে
চেঁচিয়ে, গলা চিরে রক্ত!
ইশ
পড়ন্ত বিকেলের রোদ ঠিকরে
সোনালী রোদ
রক্তের সংস্মৃতি
ধুয়ে মুছে যাচ্ছি শুধু শুধু
শেষ কবে, কোথায় ?
কথার বিজ্ঞাপনে হ্রেষা ডেকেছিল গাধার মত মসৃণ
ত্বকলাবণ্যসমেত।
গম বসন্তের কোকিল আদরে ফেলে রাখা, ফেটে যাওয়া প্রসবসম্ভব ডিম…
ইতর রাঙা চিলের ঠোটে হালকা বিনির্মাণ
বুনো পোকাদের হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।
৩.
নির্মোহী
রক্ষা করোনি বলেই
বারবার
মনে ছবি ভাসে
আসে প্রণামতাপ
বারবার
মালাবিজড়িত
পাথরের চকমকি
ঘষে ঘষে জ্বলা
ছ্যাক রেখে
দিনের কালগ্রহণ
স্বাদু সরযূর বুকময়
দালালের সাথে মাংসের অনুমানে
রাধা গ্রন্থটি পড়ে দেখা যায়
মন নেই
মিছে প্রেমিক আমার ।
৪.
লোফালুফি
তাড়া দেখিয়ে ভীষণ খরগোশের দিন নিয়ে কেন খেলব
কেন খেলব শুধু শুধু
আমারো তো আলতো দিন তুলো তুলো রেশায়
চোখে অমোঘ দেখি
লাল শিকার বিন্দু
স্থির ধরিয়ে সময় হেরে যায়
ঝাঁকড়া কালো চুলে মাথা নোয়ায়
ছুটতে ছুটতে চাকা হেরে যায়
দুর থেকে দেখি এইবার,
প্রেয়স ভূমিকার মূলে প্রণয় কপটে
ডায়ানা চোখ আনত বলে যায়
চিরকাল স্পর্শহীন রোমন্থন
৫.
মিথে প্রত্যাখ্যাত বুড়োরা
ঢ্যাঁড়া পিটিয়ে চিত হয়ে শুয়ে আছে মনখারাপের আলো
নিঃশর্তে ফুরিয়ে যেতে সংলগ্ন জ্বেলে স্পর্শে ও ঘ্রাণে
আদিম খেলাটিও সরব
তথাপি বোকা সিলেবাসের সন্ধি
দরাজ বশ্য করে নজরে পড়ার জঁরে।
এক্ষুনি এইমাত্র সময় নষ্ট না করে স্বীকার করি শেষবার
দাসত্ব দেব অনায়াসেই
অপমানে যেভাবে তারারা শরীর ভাঙে…
চিরকুট পোড়ানো অস্পষ্ট শব্দের খোসা
আলোই খেয়ে ফেলেছে শরীর কুটে কুটে
তালদীর্ঘ আফসোস
অন্দরে সে প্রবেশ করেনা যেখানে
চর্যাহীন শূন্যের অনুরুপ সং সেজে রই
সব আকাশ সন্ধ্যার মনষ্কাম
সব রাত্রি অন্ধ, বৃদ্ধ যাত্রী
লাঠি ধরে পথের খোঁজ, অশক্ত পদচারণায়।

No comments:
Post a Comment