কায়স্থ সেরেস্তায়
কাকড়া শাসিত মেয়েটিকে কারা দেখায় সহ্য এক লেখ্যরূপে
সামনাসামনি এদের বাধ্য পরামর্শ নিয়ে, তার স্বাভাবিক তাক
এক সন্তান, বর্ণসংকরের অঙ্কে কেন মাখিয়ে দেয় রাজনীতি।
নিষ্কর্মা দপ্তরে বেশি সংগ্রাহকের দোষ, জিহ্বা কামড়ে দিব্যি?
রাঙা বর্ণভুক্ত পেশাদার, প্রচণ্ড চর্চার মুণ্ডতে সংখ্যা ঢোকাচ্ছে
নইলে মুণ্ডনে, দশ-দলা মুষ্টি কাত করে দাও গণ্যরেখার মধ্যে
রক্ষক বর্তাবে ঘাড়ে তখন কী বোহেমিয়ান হিস্যার একাকার
নয় সাড়ার গর্ভ নগুণের মর্যাদা থাকতে পূর্বজ বিরত থাকল।
এখন কাকড়া থেকে উগ্রক্ষত্রিয় সুতোয় ছুটে যায় যে বোলতা
হলুদ অজ্ঞতায় বিধ্বস্ত খাতাপত্র তুলে দেয় উদ্দেশ্য উপার্জনে
পূর্বে হিসাবীয় দোষ আসে, কায়াস্থের তো প্যাঁচগুণের স্বাতন্ত্র্য
স্বভাবত সেরেস্তাতেই কেরানি হই, কেবল অপশাসনের নাচে।
প্রশ্নের মুখে তারণ
প্রশ্নগণ আত্মঘাতে অধিকারে ঘোরে যেমন ট্রাকের স্টিয়ারিং
শাসনকর্তার গত একশো দিনে শিশু গায়ে গুটি বৃষ্টি তুলেছে
খালের তালজ্ঞানে বন্দর বিক্রি বর্গা না শুল্ক গম্ভীর মহিষের?
তেজারতির রাতবিরেতে কুটনৈতিক চুল মিল মুখ মিল দেয়।
চিড়িয়াখানার চোখে, কৌতুহলের কৌতুক সংশোধন সন্তোষ
প্ল্যানের ভেতর সামর্থ্যের তার টানিয়ে ঝলমল করে সাম্রাজ্য..
নির্বাসিত নীতির সঙ্গে, গদিচ্যুত শঙ্কার সখ্যতা উৎপাদিত মধু
তারণের বেঞ্চ মূক মধুমাসে, অভ্যন্তরীণ মুখে বক্তৃতার মন্ত্রক।
উল্লেখের তিনশো পাদ বাচালের ধৈর্য্যে ঢুকে গেলে, জন্মসনে
পয়ষট্টির পাঁচ গুণে গেছে বিশের সঙ্গে,আরেক বাতাস বসত-
প্রশ্নের মুখে সাদা দাগ শোকে স্বর্ণ শাপলা না থাকে আপনার
জন্মের সাক্ষ্য নাকচ করে দেশজ বয়ান মধ্য এত ভণ্ডুল ভয়!

No comments:
Post a Comment