অ্যাকুরিয়ামের ভেতর সোনালী হরিণ
ইস্কুলের দিনগুলো ছিটকে গিয়ে
কাঁচের ডিশে ফুটানো জলের বুদ
বুদে শিং ধারণ করা মাছের মতো।
আমি আমার জন্মদাতা পিতাকে
ভাগ করেছি৷ মাঝরাতে আমার
দেহে কারা যেন নুন ছিটিয়ে দেয়।
আমাকে প্রস্তুত করা হয়৷ আমার
বিছানায় পৃথিবী বৃহৎ এক পাতিলে
পরিণত হয়৷
বৈঠা
নদীর বৈকি জল। মা মাছিটি
ভনভন করছে; খুবলানো
মগজে৷ ঝাউপাতার নৌকোয়
মা ডালে বাহার দিচ্ছে গরম
গরম মশলা। মাছিটি ঠ্যাং
ডুবানো মগজ ঘুটনি— নৌকো
রাস্তা পার হয়ে গেছে দরোজায়।
পাঠশালা
আরও মরিয়া হয়ে ওঠি। মরি মরি৷
বাঁচে মরি মরি ভাত-হাওয়া।
মরমি কাগজের লিখনকে
ভাগ্যের পরিহাস ভেবে বসি দেয়াল।
চুন খসে পড়া ইতিহাস ইতিপুঞ্জ
ঘৃণার দেয়ালের শিখেছি ভাতখেলা
বিদ্যা।
ভাত কেঁকিয়ে মরি মরি
মাষ্টার মশাই; অ হতে আ।
বৈকি ভাতের চিত্র কথা—
সমাজকে
চোখ বন্ধ করে যার মুখটি ভাসে বিধাতা
তাকে করে দিও৷ যেই বাড়িতে আজ
নতুন জামাই আসবে তার সর্বপ্রথম খবর
জানা; রাজসাক্ষী হিসেবে থাকে বাজারের
সবচেয়ে বড় বোয়ালমাছটি। যে লাফিয়ে
ওঠে রাস্তার ধারে— আছাড় খায়; এর হাত
থেকে ওর হাতে৷ হাতবন্ধ্যা
বিধাতা মুখ রাস্তা। বোয়ালমাছ রাজসাক্ষী।
পাতিল
মানুষের মুণ্ডটা একটা খাদক নিছক
ডিশের মতন। হরিণী ছুটে যায়
ঘাসের করুণা।
পিছু পিছু বাঘ
অজ্ঞ হরিণের শিঙে— শিস দেওয়া
দূর্ভেদ্য মাংসের চেতনা৷
ঘাস হরিণ— হরিণ বাঘ
ডিশে ভরে ওঠে মুণ্ডপাতে; সহস্র
জন্মছক।

No comments:
Post a Comment