পার্বণ পাহারা
প্রতিবাদী কবিতায় সংঘর্ষ অনিবার্য,
কবি'র আত্মক্ষয় এক আশ্চর্য দুঃখ!
কবিতার সব্যসাচী কখনও মানবতা
বিরোধী শব্দ লেখে না,
জন্মদিনে মা'র বানানো
পায়েসের বাটিতে দেখে—
পুরো পৃথিবী
এরপর,
স্বয়ংক্রিয় উৎসব ভেবে
ছড়িয়ে দেয় কবিতা
লিফলেটে...
পতনের কোনও শব্দ হয় না
বসন্তের পাতাগুলি শুয়ে আছে
পাপেটের মতো,
কিন্তু ঘিলুতে জমা প্রশ্নরা
ছুঁতে চাইছে
কবিতাগুচ্ছ, দাহ্য পরম্পরায়
জর্জরিত ভিটামিন-ডি'র নিঃশব্দ প্রতিবাদ
কেমিস্ট্রি ক্লাস ফাঁকি দিইনি কখনও,
গা ঘেঁষে যেদিন অ্যাসিডের বোতল
পড়ে গিয়েছিল—
হাত দুটো নীরবে গ্রাস করেছিলো ভয়,
ছিলো না কোনও তামাশা
ঐদিন বাবা বলেছিলো—
পতনের কোনও শব্দ হয় না
ঋণ
শহরের এতো মুখ,
যখন তোর বন্ধুত্ব সংক্রমিত হলো
বিষবৃত্ত মহল নিয়ে গেলি
কবিতার ঘাসফুল বাগানে
অনিদ্রার এলাকায় জুড়ে দিলি
চক্রবৃদ্ধি বইমেলার বই, বিবিধ
শব্দাবলী,ব্যঞ্জনা, নক্ষত্রবিদ্যা,
নীরব ট্রাপিজ
এই ঋণটুকু না হয় তুলে রাখি!
বন্ধু—
এবার আর চিরকুট পাঠাবো না,
যখন'ই অস্থির বহ্নিশিখা গ্রাস করবে
ডট দিয়ে আঁকবো এক অগ্নিপিণ্ড,
যার নাম হবে "অরিন্দম"

No comments:
Post a Comment