শুধুই গোধূলিকথা... কখনও দেখোনি
বুঝি দীপ্ত ভোরবেলা?
সেখানে কি ফোটে না দ্রোহের ভাষা,
তর্জমা করে না কোনো মানুষের আয়ু?
যদি বলি, আমার বিদ্রোহ ঠিক আমার
মতন, একা এবং একেলা
ছুটে যাই পথ খুঁজে, যার কোনো শেষ
নেই, যত যাই টানটান স্নায়ু
আশ্রয় পেয়েছি কোনো সূর্যাস্তের
অশান্ত গভীরে
প্রশ্ন করি পথের দেবীকে, আমাকে
এখনও আর কতদূর যেতে হবে?
আমাকে বলে না কেউ সামনে
দিগন্তের রেখা, পথ শেষ, পাখিরাও
ফিরে আসে নীড়ে
পথের দুঃখের কাছে বসে ছিল
অসহায় পথিকেরা, তাঁদের বিষণ্ণ চোখ
ডুবেছে নীরবে
নাকি ঈশ্বরের স্তবে—ওরাও জানে না,
আমি পৃথিবীর সীমা ছুঁয়ে থাকা
প্রান্তিক বিদ্রোহী
তাদের ফুসলিয়ে নিয়ে যেতে চাই
গোধূলির কাছে, দেখাব কীভাবে
আমাদের রক্তিম জীবন
মুছে যায় ধীরে ধীরে নীলের আঁধারে—
বসে থাকে মৃত্যুর বান্ধবত্রয়ী—
তারা হাতধরাধরি করে থাকে সর্বক্ষণ--
গভীর নিদ্রার পথ, ব্ল্যাক হোল,
আর বিস্মরণ।

চমৎকার নির্মাণ
ReplyDelete