অহেতুক
অহেতুক শরীর নিয়ে খেলা ঠিক নয়
অথচ শরীর বলছে ভীড় বাসে কালো বিড়াল সটান শরীর চাটছে।
জীবনের প্রথম পাঁচ বছর
স্তনে চোখ ছিল আবহমান ইশারা।
ফুঁ দিয়ে সমুদ্রের ফেনা সরিয়ে এককাতে শুয়ে পড়ি।
অহেতুক শাড়ি খোলা যদিও সুলভ
শুয়ে পড়ি, দেখি — এখনও পুরুষ আছি কিনা!
যোনিতে আপাতত ধর্ম নিষিদ্ধ হয়েছে
তুমি কি এবার জোর করে রাজনীতি ঢোকাতে বলবে ?
অহেতুক শরীর নিয়ে খেলা ঠিক নয়।
চুম্বন
আমায় চুম্বন করবে কর
তবে, মনে রেখ —
প্রতিবার চুম্বন শেষে
ঠোঁটে
যেন আশ্রয় লেগে থাকে
সূচ
যদি সুযোগ আসে
সূচের মতো হইও —
শরীরের ফাঁকে চেয়ে দ্যাখো —
তার নদী
তার আকাশ
তার জানলা
তার নক্ষত্র
কত নৈবেদ্য সাজিয়ে
কী শান্তিতেই না শুয়ে রয়েছে
সুতোর পাশে
সময়
যদি আসো
ঠিক সময়ে এসো
অসময়ে তো মৃত্যুও আসে
পোড়া
যে কাঠটি পুড়তে চাইছে না
জোর কর না আর
সম্ভব হলে দু-ফোঁটা জল ছিটিয়ে দিও
কে -জানে শেষ কবে কেঁদেছে —
কাঠটিকে শেষ করে দিও না
কাঠটিকে শেষ করে দিও না
.jpeg)
No comments:
Post a Comment