প্রেম, প্রতিবাদ ও প্রাতিষ্ঠানিক
বন্ধু বা প্রাতিষ্ঠানিক
অফিসের সিঁড়ি বেয়ে
খানিক জিরোই, প্রিয় গাছের পাশে
মুখোমুখি আমি আর সে
দু'জনেই বুদ্ধির গোড়ায় ধোঁয়া ঢালি
হতে পারত সহকর্মী
ছবি হয়ে তাকিয়ে থাকে
চিবুকে হাত দিয়ে ধোঁয়ার ভিতর প্রশ্ন ওড়ায়-
"যেতে পারি কিন্তু কেন যাব?"
আ শক্তি, হা শক্তি
এসো এক গেলাসে বসি
বিধুর
বসন্তের কিছু অপেক্ষা জানে
ফেরানো চোখের নাম
শেষ বাসের বিশ্রী শব্দও
কৃষ্ণের মুরালি ধুন,
বিরহী মধুর
শিরোনামহীন
শেষ বসন্তের
পড়ে থাকা ফুল জানে
ধুলোপথে অপেক্ষা
আঁকা থাকে
কিছু বিদায় মানে
সঙ্কোচ, ফেরানো মুখ
কৃষ্ণের বাঁশি ভিজে গেছে
নীরব অশ্রু-ঘামে
ভয়
গভীর জঙ্গলে শুনেছি শেয়ালের সমবেত স্বর
নদীর ধারে সাপের ফোঁস
গ্রামাঞ্চলে বৃহতি
বা
চিড়িয়াখানায় বাঘের গর্জন
সেই সব ভয়ঙ্কর
বড় স্বাভাবিক, সুন্দর...
শুধু ভয় করে মানুষের উল্লাসে
নিশ্চিত কারও আর্তনাদ আছে
ক্রূর চোখের ওপারে...
বিখ্যাত হব বলে
না পড়া কবিতা লিখে চলি রোজ
নামজাদা দুয়ারে তার চেয়ে ঢুঁ মারি বেশি
আনাজ বয়ে দিই কবিতার নামে
মাথা খুলে সঁপে দিই এর-তার পদতলে
তেল মাখা শরীরে ঘরে ফিরে
আয়নার মুখোমুখি হই
দেখি কবি হতে গিয়ে
উদোম ল্যাংটো হয়েছি আমি

No comments:
Post a Comment